ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো মানুষ প্রার্থী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, বাস থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীদের সেনাবাহিনীর এ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ৬৬ পদাতিক ডিভিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণ পেছানোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসেই আসবে, আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে লাহোরের মাস্টারপ্ল্যান আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দল সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি পুকুরের মাছ বাড়ি নেওয়ার সময় খাদ্য কর্মকর্তা আটক বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া চিকিৎসক সংকট নিরসন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ চিফ হুইপের চাঁদপুরে ইলিশ বিক্রির নামে অনলাইন প্রতারণা​, গ্রেফতার ৩ অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ধর্মীয় সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক ভোট ব্যাংক ধরা ঠিক নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সুবিচার সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী পেট ভরে খেয়েও কমবে ওজন! মেদ ঝরাতে মেনে চলবেন যেসব নিয়ম

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: নজরুল-সুইটি কি নবদম্পতি ছিলেন? যা বলছে পরিবার

  • আপলোড সময় : ২১-১০-২০২৬ ১০:১২:০৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-১০-২০২৬ ১০:১২:০৮ পূর্বাহ্ন
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: নজরুল-সুইটি কি নবদম্পতি ছিলেন? যা বলছে পরিবার

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সিতি আক্তারের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নজরুলের পরিবার। পরিবারের দাবি, সিতি আক্তার নজরুলের স্ত্রী ছিলেন না। এমনকি ওই নারীকে তাঁরা চেনেনও না।

নজরুল ইসলাম ও সিতি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের নবদম্পতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হয়। এসব পোস্টে দাবি করা হয়, হানিমুনে ওমরাহ পালন করতে তাঁরা সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। স্ত্রীর কপালে চুমু দেওয়ার অপরাধে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলেও কয়েকটি পোস্টে প্রচার করা হয়।

তবে নজরুলের মা রহিমা বেগমের দাবি, তাঁর ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন এবং সিতি আক্তার তাঁর স্ত্রী ছিলেন না। নজরুল ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর ছেলে যথাযথ আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার পাননি।

নজরুলের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বাছির ও রহিমা বেগম দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে নজরুল ছিলেন সবার বড়। পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যান তিনি। সেখানে মক্কা নগরীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ পান।

নজরুলের স্বজনদের ভাষ্য, সৌদি আরবে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে গ্রেপ্তারের প্রায় এক মাস পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর কারাবন্দি হওয়ার খবর জানতে পারেন।

নজরুলের মা রহিমা বেগম বলেন, সৌদি আরবে যাওয়ার পর ছেলে প্রতিদিনই বাড়িতে ফোন করতেন। কিন্তু একপর্যায়ে প্রায় এক মাস তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফোন করে নজরুল জানান, তিনি কারাগারে আছেন। তবে কী কারণে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছিলেন।

রহিমা বেগমের ভাষ্য, একদিন কাজে যাওয়ার সময় পুলিশ নজরুলকে তাঁর পরিচয় জানতে চায়। এরপর তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। তবে কী অপরাধে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা পুলিশ জানায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ছেলের বিয়ের বিষয়ে রহিমা বেগম বলেন, “নজরুল বিবাহিত ছিল না। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর শুনছি, অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই মেয়েকে আমরা চিনি না। নজরুলও কখনো ওই মেয়ের কথা আমাদের বলেনি। যদি ওই মেয়েকে সে বিয়ে করত, তাহলে আমরা অবশ্যই জানতাম।”

ছেলের পক্ষে ভাষাগত বাধা ও আইনি সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, নজরুল আরবি ভাষা বুঝতেন না। ফলে নিজের নির্দোষিতার কথা যথাযথভাবে বোঝাতে পারেননি বলে তাঁর ধারণা। সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া কোথায় বা কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে, তা-ও তাঁরা বুঝতে পারেননি।

রহিমা বেগম বলেন, তাঁরা ভেবেছিলেন, ছেলে তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকায় হয়তো তাঁর পাঁচ বছরের সাজা হয়েছে এবং মেয়াদ শেষে মুক্তি পাবেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে, তা কল্পনাও করেননি। এখন ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখতে চান তিনি।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
২৮ মামলার আসামিকে ছাড়াতে পুলিশের ওপর হামলা

২৮ মামলার আসামিকে ছাড়াতে পুলিশের ওপর হামলা